তাজা বার্তা | logo

৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ইফতার বিতরণসহ বাপ্পী চৌধুরীর নানা উদ্যোগ

প্রকাশিতঃ মে ০২, ২০২০, ১৮:৫৪

ইফতার বিতরণসহ বাপ্পী চৌধুরীর নানা উদ্যোগ

সম্ভ্রান্ত সনাতন পরিবারে জন্ম চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরীর। পূজা-পার্বণে নিজের ধর্ম পালন করতে দেখা যায় তাঁকে। গণমাধ্যমে ফলাও করে ছাপা হয় তার খবর। পবিত্র মাহে রজমানেও পিছিয়ে নেই তিনি। তাঁর ফ্যান ক্লাব থেকে ইফতার বিতরণ করা হচ্ছে। এমনকি বিএফডিসির মসজিদে প্রতিদিনই তিনি ইফতার পাঠাচ্ছেন।

বাপ্পী চৌধুরীর ফ্যান ক্লাব ফেনীতে অসচ্ছল শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে ২০১৫ সাল থেকে। প্রতি বছরের মতো এবারও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। তবে করোনার কারণে ৫৬ জন শিক্ষার্থীর বাসায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ইফতার সামগ্রী। বাপ্পী চৌধুরীর নির্দেশেই মাসব্যাপী ইফতারের এই আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফ্যান ক্লাবের অন্যতম সদস্য হারুন চৌধুরী।

67564486

হারুন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে গণজমায়েত ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য এবার ইফতারের আয়োজনটা প্যাকেট করে ৫৬ শিক্ষার্থীর পরিবারের মাঝে বিতরণ করছি। মূলত বাপ্পী ভাইয়ের নির্দেশেই এই আয়োজন চলছে। বাপ্পী চৌধুরী ফ্যান ক্লাব শুরু করি ২০১৫ থেকে। তারপর ২০১৬ সালে ক্লাবের সদস্যরা মিলে শিশুদের সাধারণ শিক্ষাগার গড়ি। বর্তমানে ৫৬ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে, যাদের বিনামূল্যে শিক্ষাদান চলছে।’

758697559

হারুন আরো বলেন, ‘বিগত তিন বছর সফলতার সঙ্গে কার্যক্রম চালিয়েছি। বর্তমানে করোনার কারণে আমাদের শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ক্লাব থেকে আমারা এই বাচ্চাদের বিনামূল্যে খাতা-কলম দিয়ে থাকি। সরকারি যেসব অনুষ্ঠান হয়, যেমন—২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর—এ সময় বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করে তাদের উপহার দিই। বছর শেষে সবাইকে নিয়ে বনভোজনে যাই। এই ক্লাব শুরু করি মূলত বাপ্পী চৌধুরীর কিছু কথা ও আদর্শ থেকে। উনার কথা ছিল, প্রতিদিন একটি করে ভালো কাজ করা, সেই সুবাদে আমরা এই পথ ধরে এগিয়ে এসেছি। আমরা ক্লাব সদস্যরা সাধারণত অর্থায়ন করে থাকি, বিশেষ অনুষ্ঠানগুলো বাপ্পী চৌধুরীর অনুদানে হয়। তাছাড়া প্রতি মাসেই তিনি একটা বরাদ্দ পাঠান আমাদের স্কুল পরিচালনার জন্য। করোনার কারণে সব দিকে কর্মবিরতি থাকায় পুরোপুরি খরচ বহন করছেন বাপ্পী চৌধুরী।’

সহকারী পরিচালক শাকিল আহম্মেদ বলেন, ‘আমি মগবাজারে থাকি, প্রতিদিনই এফডিসিতে নামাজ পড়ি। আমার এক সহকর্মী আমাকে ফোন দিয়ে এফডিসির মসজিদে প্রতিদিন ইফতার আয়োজন করার দায়িত্ব দেন। দ্বিতীয় রোজা থেকে প্রতিদিনই আমরা মসজিদের দুজন হুজুরসহ কয়েকজন ইফতার করি। তারপর একসঙ্গে নামাজ আদায় করি। প্রথমে আমি জানতাম না, পরে শুনেছি নায়ক বাপ্পী চৌধুরী এই ইফতার দিচ্ছেন।’

শাকিল আরো বলেন, ‘নায়িকা নিপুণ আপা ইফতারের জন্য খিচুড়ি পাঠান। তারাবির নামাজ শেষে হুজুররা সেই খিচুড়ি খান। বুট, ডালের বড়া, আলুর চপ, বেগুনি, মুড়ি, শরবত ও কিছু ফল দিয়ে মসজিদে আমরা ইফতার করি।’


© তাজা বার্তা ২০২১

Developed by XOFT IT