তাজা বার্তা | logo

২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১০ই আগস্ট, ২০২০ ইং

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ৬ বছর পেরিয়ে ৭ বছরে পড়ল

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ২৪, ২০২০, ১৩:৩৭

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ৬ বছর পেরিয়ে ৭ বছরে পড়ল

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ৬ বছর পেরিয়ে ৭ বছরে পড়ল। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনায় এদিন বহুতল ভবন বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারান হাজারের বেশি শ্রমিক। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রশাসনের আহ্বানে নিহতদের স্মরণে সব কর্মসূচি স্থগিত করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলো।

ঘরে বসেই নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। জনসমাগম রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই বিধ্বস্ত রানাপ্লাজার সামনে পিপিই পরিহিত অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সাভারে ৬ বছর আগে ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা বহুতল ভবন বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারান ১ হাজারের বেশি শ্রমিক। ভয়াল ট্র্যাজেডির এই দিনে প্রতিবছর হতাহতদের পরিবারসহ শ্রমিক সংগঠনের নেতারা নিহতদের স্মরণ করেন। কিন্তু এবার করোনা সংক্রমণের কারণে শ্রমিকদের বাসায় বসেই তা পালনের অনুরোধ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে খবর আসছে যে কিছু সংখ্যক সংগঠন এখানে আসতে পারে সপ্তম বর্ষ উপলক্ষে। আমরা উপজেলা প্রশাসন তাদের না আসার জন্য উৎসাহিত করেছি।
তাই রানাপ্লাজার সামনে স্মৃতিস্তম্ভে মধ্যরাত ১২টা ১ মিনিটে মোমবাতি প্রজ্বলন আর পুস্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে নিহতদের শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা থেকে বিরত থাকেন সাধারণ শ্রমিকসহ নেতারা। তবে ঘরে ঘরে প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিনটি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

একজন শ্রমিক বলেন, রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়নি। তবে এ বছর আমাদের কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকে এখানে জড়ো হওয়ার কর্মসূচি নেয়া হয়নি।
২০১৩ সকালে এ দিনে সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে রানা প্লাজা নামের একটি ৮ তলা ভবন ধসে পড়ে। ভবনের কয়েকটি তলা নিচে দেবে যায়। কিছু অংশ পাশের একটি ভবনের ওপর পড়ে। এ দুর্ঘটনায় সরকারি হিসাব মতে, ১ হাজার ১১২জন শ্রমিক নিহত এবং দুই হাজারেরও বেশি আহত হয়। প্রাণহানির সংখ্যায়, যা বিশ্বের ইতিহাসে তৃতীয় ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনা।


© তাজা বার্তা ২০২০

Developed by XOFT IT