শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন

ওয়াইফাই!! আনলিমিটেড ইন্টারনেট!!

  • আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে ওয়াইফাই এর জনপ্রিয়তা প্রচুর। একদিকে আনলিমিটেড ইন্টারনেট তার ওপর আবার এর মাধ্যমে যে কোনো ব্যান হওয়া গেমস বা যে কোনো এপস চালানো যায়। যেমনঃ ফ্রী ফায়ার বা পাবজি বাংলাদেশে ব্যান হওয়া সত্ত্বেও যাদের ওয়াইফাই আছে তারা আরামসে এই গেম গুলো খেলতে পারছে। কিন্তু যাদের ওয়াইফাই নেই অর্থাৎ যারা রবি, এয়ারটেল,টেলিটক, বাংলালিংক বা গ্রামীণফোন সিম ব্যাবহার করছে তারা সাধারণত ফ্রী ফায়ার বা পাবজি খেলতে পারছে না।
আশকরি ওয়াইফাই সম্পর্কে আপনারা সকলেই প্রায় জানেন। তবে ওয়াইফাই সম্পর্কে বিস্তারিত কেউ তেমন একটা ধারণা রাখেননা। আর সে জন্যই আমরা নিয়ে এসেছি আপনাদের জন্য ওয়াইফাই সম্পর্কে কিছু তথ্য। তো চলুন শুরু করা যাকঃ

 

wifi শব্দটি এসেছে Wireless Fidelity থেকে।
wifi হচ্ছে একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যাবস্থা যার সাহায্যে যে কোনো প্রকারের কম্পিউটারের সাথে সহজেই ইন্টারনেট সংযুক্ত করা যায়।
সাধারণত ওয়াইফাই ব্যাবস্থায় উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সমৃদ্ধ রেডিও ওয়েব ব্যাবহার করা হয়।
ওয়াইফাই হচ্ছে ওয়াইফাই এলিয়েন্স এর বানিজ্যিক চিন্হ বা ট্রেডমার্ক।
আর ওয়াইফাই এলিয়েন্স হচ্ছে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যা ওয়াইফাই প্রযুক্তির উন্নতি সাধন করে এবং ওয়াইফাই পণ্য নিশ্চিত করে। ওয়াইফাই এর মাধ্যমে সকল ধরনের ল্যাপটাপ, ডেস্কটপ,ট্যাবলেট, পেরিফেরাল ডিভাইস, প্রিন্টার, স্মার্ট ফোন, এমপি থ্রি প্লেয়ার , ভিডিও গেম কনসোল এবং ব্যাক্তিগত কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়া যায়।
ওয়াইফাই ব্যাবহার করে একইসাথে অসংখ্য কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়া যায়। এর কাভারেজ খুব বেশি এলাকাই পাওয়া যায়না।
একটি ওয়াইফাই এর কাভারেজ এরিয়া একটি কক্ষ একটি ভবন কিংবা কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে হতে পারে। এর ডাটা চলাচলের গতি তেমন একটা বেশি নয়।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে ওয়াইফাই ব্যাবহার করা হয়, যেমনঃ

★অনলাইনে গেম খেলার ক্ষেত্রে
★অনলাইনে পড়াশোনার ক্ষেত্রে। বিশেষ করে করোনার এই প্রাদুর্ভাবে শিক্ষার্থিরা তাদের পড়াশোনার জন্য ওয়াইফাই ব্যাবহার করে অনলাইন থেকে পড়ছে।
★ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের ব্যাবহারের সুবিধার্থে ওয়াইফাই ব্যাবহার করা হয়।
★বিমানবন্দর,হোটেল, রেস্তোরাতে ওয়াইফাই প্রযুক্তির সেবা প্রদান করা যায়।
ইত্যাদি আরো অসংখ্য ক্ষেত্রে ওয়াইফাই এর ব্যাবহার করা যায়।

আমরা অনেকেই স্মার্ট ফোন ব্যাবহার করি।
স্মার্ট ফোন ছাড়া বর্তমান বিশ্ব সভ্যতায়ই কল্পনা করা যায়না। একটি স্মার্ট ফোনের কারণে একজন ব্যাক্তি অনেক দীর্ঘ সময়ের কাজ অল্প সময়েই সম্পন্ন করতে পারে।
কিন্তু বন্ধু রা পৃথিবীর সকল মানুষ কিন্তু একই ধরনের স্মার্ট ফোন ব্যাবহার করেনা। একেকজন একেক কোম্পানির স্মার্ট ফোন ব্যাবহার করে। আশাকরি এই তথ্য টা প্রায় সকলেই জানেন।
তো বন্ধু রা আজকে আমরা একটি বিখ্যাত স্মার্ট ফোন কোম্পানির ইতিহাস জানবো, যেটি কিনা স্যামসাংয়ের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান। আশাকরি আপনারা অনেকেই বুঝতে পেরেছেন যে আমি হুয়াওয়েই কোম্পানির কথায়ই বলছি। তো চলুন বন্ধু রা আমরা আমাদের আজকের আলোচনা শুরু করিঃ

হুয়াওয়েই টেকনোলজিস কো. লি. হচ্ছে চিনের একটি বহুজাতিক নেটওয়ার্কিং এবং যোগাযোগের উপকরণ প্রস্তুতকারী ও সেবা প্রদানকারী কোম্পানি
যার সদরদপ্তর কুয়াংতুং প্রদেশের শেনচেন শহরে অবস্থিত।
পিপলস লিবারেশন আর্মির সাবেক ইঞ্জিনিয়ার রেন ঝেংফেই ১৯৮৭ সালে হুয়াওয়েই টেকনোলজিস কো.লি. (কোম্পানি লিমিটেড) এর প্রতিষ্ঠা করেন।

 

হুআওয়েই তাদের ব্যবসার শুরুতেই কিন্তু টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক তৈরি শুরু করেনি।
প্রথমে তারা শুধু ফোনের সুইচ প্রস্তুত করতো।
পরবর্তীতে তাদের ব্যাবসা বাড়ার সাথে সাথে তারা টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক তৈরি, অপারেশনাল এবং কনসাল্টিং সেবা প্রদান শুরু করে। এবং তাদের পন্যগুলো চিনের ভিতরে এবং বাইরে সরবরাহ করা শুরু করে।
এই চিনা মোবাইল কোম্পানিটি ২০১২ সালে এরিকসনকে টপকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন উপকরণ নির্মাতার স্থান দখল করে নেই।যদিও বর্তমানে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান। এ থেকেই বুঝা যায় বিশ্বে এই কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা কতটুকু। বিশ্বে মোবাইলের জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে এর আগেই অর্থাৎ ১ নম্বরে রয়েছে স্যামসাং মোবাইল কোম্পানি।
জানা যায় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হুয়াওয়ের কর্মি সংখ্যা ১৭০,০০০ যার মধ্যে প্রায় ৭৬,০০০ জন রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট বিভাগে কাজ করে। গবেষণার জন্য হুয়াওয়ের ২১ টি প্রতিষ্ঠান আছে এবং এর অসংখ্য উন্নয়ন বিভাগও রয়েছে।

এই বিভাগ থেকে আরও পড়ুন

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

স্বত্ব © তাজা বার্তা ২০২০-২০২১
Developed by XOFT IT